সরকারের সুনির্দিষ্ট আইনি বিধি-নিষেধ ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দুঃশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। দীর্ঘ ১৮ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই আমরা এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান পেয়েছি। এই গণঅভ্যুত্থানের গভীরতা, ব্যাপকতা এবং এর মূল তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেই অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।’
নিতাই রায় চৌধুরী দাবি করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পকে আরও নিখুঁত ও স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন ও আইনি পরিমার্জন আনা হয়েছে।
জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্ব এবং ব্যয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্টতার সঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাদুঘর পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদ ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালককে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর পরিচালনায় স্থায়ী জনবল কাঠামো ও সুনির্দিষ্ট অর্গানোগ্রাম প্রয়োজন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের আইনি অনুমতি ও বিধিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে। নির্মাণ ও সংস্কার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে।’