পাকিস্তান বিশ্বে এখন একটি ন্যায়পরায়ণ মধ্যস্থতাকারী ও বিশ্বস্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেইসঙ্গে এটিকে দেশের ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
রোববার (১৭ মে) দ্য সানডে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো পাকিস্তানের ওপর আস্থা রাখছে। শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানকে ক্রমেই একটি নির্ভরযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের পারস্পরিক সমন্বয়ের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে।’
শাহবাজ শরিফ জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পাকিস্তান দায়িত্বশীল ও কার্যকর কূটনৈতিক ভূমিকা বজায় রেখেছে। পাশাপাশি গত দুই বছরে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করা হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।’
এদিকে, পৃথকভাবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন শাহবাজ শরিফ। আলোচনায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিয়মিত যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠ পরামর্শ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন।
সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কাতারের সহায়তার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। একই সঙ্গে আঞ্চলিক কূটনীতিতে কাতারের গঠনমূলক ভূমিকাও তিনি স্বীকার করেন।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির জন্য শুভেচ্ছাও জানান তিনি।
শাহবাজ শরিফ বলেন, কাতারের আমিরের পাকিস্তান সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উভয় নেতা উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।