সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর কাছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের অমিয় বার্তা নিয়ে আবার শুভাগমন করল পবিত্র মাহে রমজান।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হলো।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা দেশের মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজ শুরু হয় এবং দিবাগত ভোররাতে সাহরি খেয়ে রোজা রাখা শুরু করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আজ সাহরির সময় শেষ হয় ৫টা ১২ মিনিটে।
সে হিসেবে আজ (বৃহস্পতিবার) চলছে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজা। আর পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর পালিত হবে আগামী ১৬ মার্চ দিবাগত রাতে।
বুধবার সন্ধ্যায় বায়তুল মুকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মাহে রমজানের চাঁদ দেখা যায়। সেখানে বুধবার প্রথম রোজা পালিত হয়েছে। সে হিসেবে আগেই ধারণা করা হচ্ছিল, দেশের আকাশে বুধবার রমজানের চাঁদ দেখা যাবে। সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর দেশের আকাশে রোজা ও ঈদের চাঁদ ওঠে।
মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এই তিন অংশে বিভক্ত এই মাস। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যেকোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত।
ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, রমজান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন সাত থেকে ৭০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। রোজা শেষে পালিত হয় মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।