নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছে স্পেন। আর এই বিশ্বজয়ের পরপরই টুর্নামেন্টের ব্যক্তিগত পুরস্কারের মঞ্চেও চলল স্প্যানিশদের একক জয়জয়কার। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সেরা খেলোয়াড় হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ নিজের করে নিয়েছেন স্পেনের মাঝমাঠের জেনারেল রদ্রি।
লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেনের এই নান্দনিক ও গতিশীল ফুটবলের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন এই মিডফিল্ডার। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের খেলা ৮টি ম্যাচের সবকটিতেই তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন এবং মাঠে কাটিয়েছেন রেকর্ড ৭২৯ মিনিট। ২০২৫ সালের ব্যালর ডি’অর জয়ী এই ফুটবলারের হাতেই এবার উঠল বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। সাধারণত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলকে ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম বড় প্রভাবক হিসেবে ধরা হয়, যার প্রমাণ গত দুই বিশ্বকাপে মেসি ও লুকা মদরিচের এই পুরস্কার জয়।
এবারের টুর্নামেন্টে ৮টি গোল করায় ফুটবল বোদ্ধারা মেসিকেই গোল্ডেন বলের সবচেয়ে বড় দাবিদার মনে করছিলেন। কিন্তু ফাইনালের ফলের পর মেসিকে এবার ‘সিলভার বল’ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জেতা দুটি গোল্ডেন বলের পাশে এবার তাঁর শোকেসে জমা হবে এই সিলভার বলটি।
স্পেনের বিশ্বজয়ের এই রাতে বাকি পুরস্কারগুলোও গেছে তাদেরই ঝুলিতে। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি জিতে নিয়েছেন বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান বা ‘সেরা তরুণ খেলোয়াড়’-এর পুরস্কার। আর পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১টি গোল হজম করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম গোল খাওয়ার রেকর্ড গড়া স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন জিতে নিয়েছেন সেরা গোলকিপারের পুরস্কার ‘গোল্ডেন গ্লাভস’।