শিক্ষকদের টিকটক নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষকদের টিকটক নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : September 20, 2026

শিক্ষকদের অবসর সময়ে টিকটক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বাধা দেওয়ার বিষয়টি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তাঁর মতে, কোনো স্কুল যদি নীতিমালা করে ক্লাসরুমে টিকটক করা যাবে না—তাহলে সেটি অন্যায় হবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক সংলাপে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা টিকটক করতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। আপনার ফ্রি টাইমে কী করবেন, বিষয়টি আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা যদি স্কুলের পলিসি করে দিই, ক্লাসরুমে টিকটক করা যাবে না। তাহলে সেটা অন্যায়।’

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের বেতন কোনো ‘ইস্যু নয়’। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মাত্র সাত মাসের হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকদের কাছ থেকে তিনি শিখতে চান।

তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মাত্র সাত মাসের। এখানে যারা আছেন, তাদের বেশির ভাগের অভিজ্ঞতা ৭, ১৭, ২৭ বছরের। তাই আমি আপনাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই তর্ক করব না, আপনাদের কাছ থেকে শিখতেই এসেছি। তবে সাত মাসে আমি পরিসংখ্যানের জায়গা থেকে প্রাসঙ্গিক সংখ্যাগুলো দেখে ফেলেছি।’

প্রাথমিক শিক্ষকদের বর্তমান বেতন কাঠামোর তথ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একজন প্রাথমিক শিক্ষক ন্যূনতম স্নাতক শেষ করে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মস্থলে যোগ দেন এবং সরকারি বেতন কাঠামোর ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী এ পদে মূল বেতন ২৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এতদিন এ পদে মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা, যেখানে অন্যান্য ভাতাসহ চাকরির শুরুতে মোট বেতন ২০ হাজার টাকার নিচে থাকত।

Share This